রাজশাহী মহানগরীর হেতেমখাঁ বড় মসজিদ থেকে বর্ণালী মোড় পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কাজ বন্ধ থাকায় চলাচলে ভোগান্তিতে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। অবশেষে কাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তারা বলছেন, সড়কটির উন্নয়ন কাজ শেষ হওয়ায় এখন চলাচল আরও সহজ হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সড়কটির কার্পেটিং ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় তিনি সড়কের কাজের গুণগত মান ও কার্পেটিংয়ের ফিনিশিং পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মো. মাহমুদুর রহমান ইমন, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) নিলুফার ইয়াসমিনসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল সড়কটি পরিদর্শন করে দ্রুত উন্নয়ন কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতে বন্ধ থাকা কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের তাগিদ দেন তিনি। তার সেই নির্দেশনার পর সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলো।
সড়কটির কাজ শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন পেশার মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা ফায়সাল আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বর্ণালী মোড় থেকে হেতেমখাঁ বড় মসজিদ পর্যন্ত সড়কটির কাজ বন্ধ থাকায় চলাচলে অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। রাসিক প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এখন সড়কটির কাজ সম্পন্ন হওয়ায় তারা খুশি। এ জন্য তিনি প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।
রিকশাচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় থাকায় রিকশা চালাতে ও যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে কষ্ট হতো। এতে রিকশারও ক্ষতি হতো। এখন কাজ শেষ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন তারা। যাত্রী নিয়ে আগের তুলনায় সহজে চলাচল করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. রহিম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির উন্নয়ন কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। রাসিক প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।
