শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হিরার মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে যুবদলের আর্থিক উপহার চাঁদাবাজি নিয়ে দ্বন্দ্ব, চাঁপাইনবাবগঞ্জে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সরকারি সুবিধা নিশ্চিতের নির্দেশ এমপি মিলনের মাহফিলের দাওয়াত ঘিরে দাওকান্দি কলেজে উত্তেজনা, প্রদর্শকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ রাজশাহীতে পরিবেশ রক্ষায় মানববন্ধন, গাছ কাটা-পুকুর ভরাট বন্ধের দাবি মাত্র চার ঘণ্টার নোটিশে উচ্ছেদ অন্যায়: ভূমিহীনদের খাসজমি দেওয়ার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করলেন ছাত্রদল সভাপতি রাজশাহীতে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন স্থবির অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন রাবির হল সংসদের রাবিতে সামাজিক বিজ্ঞান ডীনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ শিক্ষার্থী ও ৩ শিক্ষক

রাজশাহীতে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন স্থবির

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
রাজশাহীতে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন স্থবির
Share Now

উত্তরের জনপদ রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও কর্মজীবী মানুষের কষ্ট বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় হিট স্ট্রোকে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। তীব্র রোদের পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। দিনের বেলায় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। জরুরি প্রয়োজনে যারা ঘর থেকে বের হচ্ছেন, তাদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

এই বৈরী আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, দিনমজুর ও নির্মাণশ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদ উপেক্ষা করেই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে অনেককেই রাস্তার পাশে ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে। গরমে একটু স্বস্তি খুঁজতে অনেকে ভিড় করছেন রাস্তার পাশের আখের রসের দোকানগুলোতে।

জীবিকার তাগিদে চারঘাট উপজেলা থেকে শহরে রিকশা চালাতে আসা ৬০ বছর বয়সী আব্দুল রশিদ নিজের অসহায়ত্বের কথা জানান। তিনি বলেন, “সকাল আটটায় শহরে এসেছি রিকশা চালাতে, কিন্তু গরমের জন্য খুব একটা ভাড়া মারতে পারিনি। একদিকে রোদের তীব্র তাপ, অন্যদিকে রাস্তায় যাত্রী কম থাকায় তেমন একটা রোজগারও করতে পারিনি।”

এদিকে তীব্র গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুতের লুকোচুরি। নগরীর শিরোইল কলোনির বাসিন্দা মোস্তাক হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একদিকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জীবন অতিষ্ঠ, তার ওপর চলছে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। আমরা এই বিদ্যুতের জ্বালা থেকে দ্রুত মুক্তি চাই।”

তাপদাহ ও লোডশেডিংয়ের এই দ্বৈত সংকটে রাজশাহী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবন এখন চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকরা প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়া এবং বেশি বেশি তরল জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। রাজশাহীতে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন স্থবির উত্তরের জনপদ রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ।

প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও কর্মজীবী মানুষের কষ্ট বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় হিট স্ট্রোকে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। তীব্র রোদের পাশাপাশি বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। দিনের বেলায় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। জরুরি প্রয়োজনে যারা ঘর থেকে বের হচ্ছেন, তাদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

এই বৈরী আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। রিকশাচালক, দিনমজুর ও নির্মাণশ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদ উপেক্ষা করেই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে অনেককেই রাস্তার পাশে ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে। গরমে একটু স্বস্তি খুঁজতে অনেকে ভিড় করছেন রাস্তার পাশের আখের রসের দোকানগুলোতে।

জীবিকার তাগিদে চারঘাট উপজেলা থেকে শহরে রিকশা চালাতে আসা ৬০ বছর বয়সী আব্দুল রশিদ নিজের অসহায়ত্বের কথা জানান। তিনি বলেন, “সকাল আটটায় শহরে এসেছি রিকশা চালাতে, কিন্তু গরমের জন্য খুব একটা ভাড়া মারতে পারিনি। একদিকে রোদের তীব্র তাপ, অন্যদিকে রাস্তায় যাত্রী কম থাকায় তেমন একটা রোজগারও করতে পারিনি।”

এদিকে তীব্র গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুতের লুকোচুরি। নগরীর শিরোইল কলোনির বাসিন্দা মোস্তাক হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একদিকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় জীবন অতিষ্ঠ, তার ওপর চলছে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। আমরা এই বিদ্যুতের জ্বালা থেকে দ্রুত মুক্তি চাই।”

তাপদাহ ও লোডশেডিংয়ের এই দ্বৈত সংকটে রাজশাহী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবন এখন চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকরা প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়া এবং বেশি বেশি তরল জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category