বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন রাবির হল সংসদের রাবিতে সামাজিক বিজ্ঞান ডীনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ শিক্ষার্থী ও ৩ শিক্ষক রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে ৩৬.৭ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা, শিবগঞ্জে ৩ শিক্ষককে অব্যাহতি পরিবহণের নতুন ভাড়া নির্ধারণ আজ বিশ্ববাজারে ফের তেলের দাম চড়া নওগাঁর ধামুইরহাট সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির উপর হামলা নওগাঁ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ইট ভাটায় জরিমানা নওগাঁ নিয়ামতপুরে আলোচিত ৪ হত্যার আসামি ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন রাবির হল সংসদের

রাবি প্রতিনিধি :
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন রাবির হল সংসদের
Share Now

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল ছাত্রসংসদ আয়োজিত ‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’-এর আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করেছে হল সংসদ। এতে উদ্বৃত্ত ৫ হাজার ৭৪২ টাকা হল প্রশাসনের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) আমীর আলী হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মোঃ নাঈম ইসলাম- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে এ আয়-ব্যায়ের হিসেব প্রকাশ করেন৷ এর পরই আলোচনায় আসে বিষয়টি।

উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভিপি মোঃ নাঈম ইসলাম বলেন, আমি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর একজন সক্রিয় কর্মী। এই সংগঠন সবসময় আমাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে এবং সে লক্ষ্যে নিয়মিত ট্রেইন-আপ করে। একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক ছাত্রসংগঠন হিসেবে আমরা আমাদের প্রতিটি কাজে সততা, দায়িত্বশীলতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি।

তিনি আরও বলেন, তাই ‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’ আয়োজনেও আমরা আয় ও ব্যয়ের প্রতিটি হিসাব আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করি। এমনকি বস্তা ফেরত দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও যথাযথভাবে প্রভোস্ট স্যারের নিকট হস্তান্তর করেছি।

এই টাকা ফেরত না দিয়ে অন্য কোনো খাতেও তো ব্যবহার করতে পারতেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ভিপি বলেন, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আবার হল প্রাধ্যক্ষ স্যারের সাথে আলোচনা করে অন্য কাজ করার জন্য টাকা নিয়ে কাজ করবো এবং টাকা অতিরিক্ত হলে আবারও ফেরত দিবো ইংশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুনর রশিদ বলেন, হ্যাঁ, বিষয় সত্য। হল প্রশাসন থেকে ১২ হাজার এবং রাকসু থেকে ৫ হাজার টাকা তাদের দেওয়া হয়েছিল বৈশাখী উৎসবের জন্য। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত ৫ হাজার ৭৪২ টাকা তারা আমার কাছে ফিরিয়ে দেয়। এই অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমরা অন্য কোনো খাতে ব্যায় করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category