ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাসিকের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, মশক নিয়ন্ত্রণ, ড্রেনের কাদামাটি অপসারণ, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল হয়ে থাকা সেকেন্ডারি ড্রেন পরিষ্কার ও কাদামাটি অপসারণের কাজ সম্পন্ন করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে সবজিপাড়া, সাহাজিপাড়া, হরিজন পল্লী মন্দির সংলগ্ন এলাকা এবং হেতেমখাঁ গোরস্থানের দক্ষিণ পাশের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন সেকেন্ডারি ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ও কাদামাটিতে ভরাট হয়ে ছিল। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ দেখা দিত।
রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় স্বল্প সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ড্রেনগুলো থেকে ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা কাদামাটি অপসারণ করা হয়। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে দূর হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক চলাচল ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
এ ছাড়া হেতেমখাঁ গোরস্থানে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পানির সংযোগ নতুন সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পুনরায় চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোরস্থানের বিভিন্ন স্থানের আগাছা পরিষ্কার করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল করা হয়েছে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
