রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হককে ‘মব’ করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপি নেতা আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে রামেবির সেকশন অফিসার ও উপাচার্যের একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গভীর রাতে নগরীর প্যারামেডিকেল এলাকার নিজ বাসা থেকে রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার গাজীউর রহমান। তিনি জানান, রামেবিতে প্রবেশ করে উপাচার্যকে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা, সরকারি কাজে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, সরকারি মালামাল লুট এবং সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, মামলা রেকর্ড হওয়ার পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সময়ের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে উপাচার্যকে অপমান, লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন রামেবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। চিকিৎসকরাও পৃথক মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর ঘোষপাড়া এলাকায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনে এসব কর্মসূচি শুরু হয়।
রামেবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের নেতা ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে কাজ করার পরিবেশ নেই। ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানের সঙ্গে এমন ঘটনার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার একদল ব্যক্তি রামেবির উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা আগে থেকে লিখে রাখা একটি পদত্যাগপত্রে উপাচার্যের কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেন। পরে তাকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।
উপাচার্যকে র
