ইউরিচ (ইয়ুথ ইন রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিইআইইডি (DEIED)-এর উদ্যোগে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইসিটি ডিভিশনের সহযোগিতায় আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘রাজশাহী বিভাগীয় স্টার্টআপ সামিট’। এতে বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশনে বিজয়ীদের জন্য থাকছে মোট ২ লক্ষ টাকার পুরস্কার।
সামিটটি অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। এতে সর্বমোট ১২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইউরিচ রাবি শাখার প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী হাসান হৃদয়।
“স্টার্টআপ আইকন রাজশাহী: এ জার্নি ফ্রম আইডিয়া টু বিজনেস” শিরোনামের এই বিভাগীয় সামিটে তিনটি সেগমেন্টে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সেগমেন্টগুলো হলো—অডিয়েন্স রেজিস্ট্রেশন, বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশন রেজিস্ট্রেশন এবং স্টার্টআপ শো-কেসিং রেজিস্ট্রেশন।
সামিটে বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশনে বিজয়ীদের জন্য থাকছে মোট ২ লাখ টাকার প্রাইজপুল।
এতে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশন লিংক:
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfxL1h3E4kpOSRBaU0WXExNzKn0ooTOV5GkPsCboCtQ9WePw/viewform?pli=1
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইসিটি ডিভিশনের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি। কী-নোট সেশনে বক্তব্য দেবেন ডিইআইইডি (DEIED)-এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।
এ ছাড়া সারপ্রাইজ হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা ইয়ুথ ইনফ্লুয়েন্সার, যার নাম আয়োজকরা পরবর্তীতে ঘোষণা করবেন।
লিখিত বক্তব্যে আয়োজকরা বলেন, এই সামিটের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের উদ্যোক্তামুখী করে গড়ে তোলা এবং রাজশাহী বিভাগে একটি কার্যকর স্টার্টআপ ইকো-সিস্টেম তৈরি করা। দেশের তরুণরা যেন কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই আয়োজন। এর মাধ্যমে অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়াও, সামিটে অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্ট্র্যাটেজিক ইনসাইট প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং, সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং একটি সফল স্টার্টআপ জার্নির জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট ও দিকনির্দেশনা। এছাড়া রিসার্চ-বেইজড ইনোভেশন বা গবেষণাভিত্তিক স্টার্টআপের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সামিটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও রাজশাহী বিভাগে একটি স্টার্টআপ ইকো-সিস্টেম ডেভেলপ করা, যাতে প্রত্যন্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহী শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হওয়ার পথ খুঁজে পায়।
