নওগাঁর মান্দায় পূর্ব বিরোধের জেরে মো: হাবিবুর রহমান (৩০) ূনামের এক যুবককে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশিদের বিরুদ্ধে।
এতে হাবিবুরের মাথার বাম পাশে মারাত্মক কেটে গেলে সেখানে ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা মো: বেলাল হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার বারিল্যা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো: বেলাল হোসেন মোল্লার সাথে আসামীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
গত ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বুধবার দুপুর আনুমানিক ১:৩০ ঘটিকার সময় আসামী মো:মেহেদী (২৩) ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমানকে তাদের বাড়ির খলিয়ানে ডাকিয়া নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছামাত্রই আসামী মো:বাদশা (২২) হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে হাবিবুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে আঘাত করে। হাসুয়ার কোপে হাবিবুরের মাথার বাম পাশে কেটে রক্তাক্ত জখম হয়।
আঘাতের পর হাবিবুর মাটিতে পড়ে গেলে অন্য আসামীরা লাঠি, কাঠের বাটাম ও জিআই পাইপ দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। হাবিবুরের ডাক-চিৎকারে তার পিতা বেলাল হোসেন তাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে আসামী মো: লালবর হোসেন বাঁশের লাঠি দিয়ে তার ডান পায়ের উরুতে আঘাত করে কালশিরা জখম করে।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামীরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মান্দায় নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, হাবিবুরের মাথায় মারাত্মক জখম হওয়ায় ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে।
এ ঘটনায় আসামী মো: বাদশা, মো: লালবর হোসেন, মো: মেহেদী, মো: আশরাফ হোসেন, মো: মকবুল হোসেন, মোছা: লাবনি বেগম ও মোছা: লাভলী বেগম সহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আফজাল হোসেন জানান, অভিযোগটি পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
