দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফয়সালা হলো। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শুরু হয় দুপুর ২টায় এবং শেষ হয় বিকেল ৫টায়।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই প্রার্থী। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট সমর্থিত এলডিপির প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
ভোট গণনা শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পান ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে ভোট দেন ৩৪৩ জন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় সংসদে নিজ নিজ নির্ধারিত আসনে বসে সংসদ সদস্যরা ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন কমিশনের ২০ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণে সহায়তা করেন এবং ব্যালট পেপার সরবরাহ করেন। পরে সংসদ সদস্যরা তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে তাদের ভোট প্রদান করেন।
৩৫ বছর পর ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
এর আগে সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী।
ওই নির্বাচনে বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। অন্যদিকে ১৭২ ভোট পেয়ে বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস।
৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন হলো। এবারের নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
