বিএনপির চেয়ারপারসর ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন রাজশাহীর বিশিষ্ট ১০১ জন বিশিষ্ঠ পেশাজীবী। বিবৃতিতে পেশাজীবীগণ বলেন, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার সহধর্মিণী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। অবিলম্বে বেগম জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশ পাঠানোর দাবি জানাচ্ছি।
এক যুক্তবিবৃতিতে পেশাজীবীগণ বলেন, মিথ্যা-বানোয়াট মামলায় বর্তমান প্রতিহিংসাপরায়ণ আওয়ামী সরকারের হয়রানির শিকার হয়ে বেগম জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বন্দী জীবন যাপন করার ফলে নানাবিধ স্বাস্থ্য জটিলতায় আক্রান্ত হয়েছেন যা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পৌঁচেছে । পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, শারীরিক অবস্থা ‘খুবই ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে ইতিমধ্যে তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ৭৮ বছর বয়সী বেগম জিয়ার মেডিকেল টিম জানিয়েছে, তাঁর বয়স এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় যে ধরনের চিকিৎসা হওয়া প্রয়োজন তা দেশে সম্ভব নয়। তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড ইতিমধ্যে একাধিকবার পরামর্শ দিয়েছে যে, খালেদা জিয়া এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। দেশে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়ার মতো কিছু বাকি নেই। কেননা, তাঁর চিকিৎসার জন্য যে ধরনের যন্ত্রপাতি দরকার, সেসব দেশে নেই। ফলে খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে বিদেশে ‘অ্যাডভান্সড সেন্টার’ এ নিয়ে চিকিৎসা দেয়া জরুরি। কিন্তু সরকার এতে কোনরূপ কর্ণপাত করছে না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অনতিবিলম্বে বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবী জানাচ্ছি।সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব পরিহার করে সরকারকে গণতান্ত্রিক পথে চলার পরামর্শ দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকার সম্পূর্ণরুপে দায়ী থাকবে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী পেশাজীবীগণের মধ্যে রয়েছেন, রাজশাহী বার এসোসিয়েশন এর সাবেক সভাপতি এডভোকেট মো: আবুল কাসেম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুুষ্টিয়ার সাবেক ভিসি প্রফেসর এম রফিকুল ইসলাম, শত নাগরিক রাজশাহীর সভাপতি প্রফেসর ড. আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, রাবি সাদা দলের আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) এবং রাবি জিয়া পরিষদ সভাপতি প্রফেসর ড. মোহা. এনামুল হক, ড্যাব এর রাজশাহী সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, রাজশাহীর সভাপতি এড. মাইনুল আহসান পান্না, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রাবির সভাপতি প্রফেসর ড. এফ নজরুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, রুয়েট এর সভাপতি প্রফেসর ড.এস এম আব্দুর রাজ্জাক, শত নাগরিক রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি মো. আব্দুল আউয়াল, রাজশাহী বার এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক এড. মো. জমসেদ আলী, সাংবাদিক রেজাউল করিম রাজু, সাংবাদিক মো. আব্দুস সবুর, রাবি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ এর ডীন এবং রাবি জিয়া পরিষদ এর সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, মাদার বখশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, রাজশাহীর অধ্যক্ষ সালমা শাহাদাত, রাবি কলা অনুষদ এর ডীন প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক, রাবি বিজ্ঞান অনুষদ এর ডীন প্রফেসর ড. মো. সাহেদ জামান, এগ্রিকালচারিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, রাজশাহীর সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম, রাবি চারুকলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পারভেজ টি জাহেদী, উপাধ্যক্ষ মো. মকবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম ফারুকী, প্রফেসর ড. দিল আরা হোসেন, ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল আকন্দ, এড. মো. নূর-এ-কামরুজ্জামান ইরান, এড. নূসরাত মেহেজেবীন সুমি, প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, প্রফেসর ড. সৈয়দ সরওয়ার জাহান লিটন, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ সাদিকুল ইসলাম স্বপন, প্রফেসর ড. শামসুজ্জোহা এসামী, সাংবাদিক সোহেল মাহবুব, এড. মো: শাহজাহান আলী ফাহিম, প্রফেসর ড. আখতার হোসেন, ডা. মো. শামীম হোসেন চৌধুরী, প্রফেসর ড.মাসুদুল হাসান খান মুক্তা, প্রফেসর ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, সাংবাদিক মুহিব্বুল আরেফিন, সাংবাদিক মো. মঈন উদ্দীন, প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডল, প্রফেসর ড. আল আমিন সরকার প্রমূখ।
