ওল্ড ট্রাফোর্ডেও পাত্তা পেল না নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের কাছে আবারো উড়ে গেল সফরকারীরা। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ৯৫ রানের বড় জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। অভিষিক্ত গ্যাস আটকিন্সনের তোপের মুখে দাঁড়াতেই পারেনি কিউইরা।
ইংল্যান্ডের দেয়া ১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০৩ রানেই থেমেছে কিউইদের ইনিংস। ব্যাট করতে পারেনি পুরো ২০ ওভার, থেমেছে ১৩.৫ ওভারেই। টানা দুই জয়ে চার ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল থ্রি লায়ন্সরা।
ম্যানচেস্টার টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। যদিও শুরুটা ছিল ধীরে-স্থিরে। প্রথম ৭ ওভারে মাত্র ৪৪ রান তুলে স্বাগতিকরা, হারিয়ে ফেলে ২ উইকেট। উইল জ্যাকস ১১ বলে ১৯ ও মালান ফিরেন ০ রানে। তবে এরপরই শুরু হয় জনি বেয়ারেস্টো আর হ্যারি ব্রুকের তাণ্ডব। ঝড়ো গতিতে রান তুলতে থাকেন দু’জনে।
ব্রুক ও বেয়ারেস্টো মিলে ১৩১ রান যোগ করেন, খরচ হয় মাত্র ৬৪ বল। ব্রুক ৩৬ বলে ৬৭ করে আউট হলে ১৮তম ওভারে এসে ভাঙে এই জুটি। মইন আলি (৬) দ্রুত ফিরলে খানিকটা ম্লান হয়ে আসে ইংল্যান্ডের ইনিংস। বিশেষ করে শেষ ৭ বলে মোটে ২ রান করেন বেয়ারেস্টো।
শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানে থামে ইংল্যান্ডের ইনিংস। ৬০ বল খেলে ৮৬ রানে অপরাজিত ছিলেন বেয়ারেস্টো। ৮ বলে ১৩* করেন বাটলার। ইশ সোধি ৪৪ রানে নেন ২ উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ রানেই ২ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ডেভন কনওয়েকে ২ রানে ফিরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নেন আটকিন্সন। যাহোক, এরপর একক চেষ্টা চালান টিম সেইফার্ট। প্রথমে গ্লেন ফিলিপসের সাথে ৩৬ ও চাপম্যানের সাথে মিলে যোগ করেন ২৮ রান।
ফিলিপস ১৭ বলে ২২ ও চাপম্যান আউট হন ৮ বলে ১৫ করে। এরপর আর শেষ ছয় ব্যাটম্যানের মাঝে দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ ৮ রান করেন সান্টনার। দলের অষ্টম সদস্য হিসেবে আউট হবার আগে সেইফার্ট করেন ৩১ বলে ৩৯ রান। ১০৩ রানেই থামে কিউইদের ইনিংস।
