নওগাঁর মান্দায় ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছাঃ সুমাইয়া।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের মান্দা শাখা কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোছাঃ সুমাইয়া দাবি করেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ‘দৈনিক সাতমাথা’সহ বিভিন্ন অনলাইন ও সংবাদমাধ্যমে ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি ওই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেলুয়াবাড়ি মৌজার আরএস ৩১৩ ও ১২৫/১ নম্বর খতিয়ানের ১১ দশমিক ৫০ শতক জমি নবিজা ওরফে রমিছা তাঁর বাবার কাছ থেকে দলিলমূলে পেয়ে ভোগদখলে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৮ মে ৪৪৪৬ নম্বর দলিলের মাধ্যমে দেলুয়াবাড়ি গ্রামের মো. আব্দুল মান্নান জমিটি ক্রয় করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানে ফসল উৎপাদনসহ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করেন সুমাইয়া।
তিনি আরও জানান, ২০২২ সালের শেষ দিকে চকমেদ গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আমিনুল হক স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় ওই জমিতে মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ সময় আমিনুল হক দাবি করেন, তিনি খতিয়ানের প্রজা রশিকের ছেলে লেনিনের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছেন।
সুমাইয়ার দাবি, লেনিন ১৯৭৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের ১৫৩১৬ নম্বর একটি দলিলের মাধ্যমে জমিটি বিক্রি করেছেন বলে দাবি করা হলেও ওই দলিলটি ভুয়া ও অস্তিত্বহীন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানায় যোগাযোগ করেও সমাধান না হওয়ায় পরবর্তীতে মান্দা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৫০/২০২৩ নম্বর মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
সুমাইয়ার অভিযোগ, মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় জমিটি জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তাঁর ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান মোছাঃ সুমাইয়া।
