ম্যাচের আগে কানাডার কোচ জেসি মার্শ বলেছিলেন, সাইল লারিনের কাছ থেকে দারুণ কিছু চাই—লারিন কথা রাখলেন। দারুণ এক ফ্লিকে বক্সের ভেতর থেকে বল জড়ান জালে। তাতেই বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে আসে সমতা। বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্টও পায় কানাডা।
টরেন্টো স্টেডিয়ামের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটির পরিসংখ্যান দেখলে যে কেউ কানাডাকে এগিয়ে রাখবে। র্যাংকিং, মাঠের দখল কিংবা গোলে শট—সব কিছুতে এগিয়েও ছিল। কিন্তু বসনিয়ার ইস্পাত কঠিন রক্ষণ সব সামলে দিয়েছে দারুণভাবে।
১-১ ব্যবধানে ড্র হওয়ার ম্যাচটিতে কানাডার একটি অভিশাপ ঘুচেছে। ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬ ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হেরেছিল তারা। এবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই পেল পয়েন্টের দেখা। এই পয়েন্ট এসেছে সাইলের হাত ধরে। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা।
লাল রঙে সাজা ম্যাচের ২১ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড করে গোল করেন জোভো লুকিচ। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম গোল, বিশ্বকাপের প্রথম গোল, কানাডার বিপক্ষে প্রথম গোল—বাড়াবাড়ি উদযাপন হওয়াটা স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। লাল রঙে সাজা টরেন্টো স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়ে ফেলেন ২৭ বর্ষী লুকিচ। সেই রেশ থাকে লম্বা সময়।
৭৮ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি বসনিয়া। ৭৯ মিনিটে কানাডার ত্রাতা হন বদলি নামা লারিনে। বক্সের ঠিক ভেতর থেকে নিকোলা ভাসিলজকে পরাস্ত করে ভলি শটে দলকে ফেরান সমতায়। খেলার শেষদিকে বেশকিছু সুযোগ আসলেও কাজে লাগাতে পারেনি কোনো দল।
