বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেয় দিল্লি: ভারতের হাইকমিশনার

Reporter Name
  • শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
প্রণয় ভার্মাছবি : সংগৃহীত
Share Now

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেয় বলেই ভারত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এর পাশাপাশি উন্নয়নের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের অনেক সাফল্য আছে, যা এই সম্মেলনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘জি-২০ সম্মেলন: ঢাকা থেকে নয়াদিল্লি’ শীর্ষক এক সেমিনারের উদ্বোধনী অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় ভারতের হাইকমিশনার এ মন্তব্য করেন।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে দুই দিনব্যাপী জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে। এতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এমন এক সময়ে সম্মেলন হতে যাচ্ছে, যখন ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্মেলনে গ্লোবাল সাউথের (এশিয়া–আফ্রিকার কম উন্নত দেশ) কথা শুনতে চায় ভারত। আমরা বাংলাদেশের সহযোগিতা চাই। আফ্রিকার দেশগুলো কী বলে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন কী বলে, তা–ও শুনতে চায় ভারত।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়ে আরও একটি পালক যোগ করবে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ সরকার এবং আমাদের অংশীজনদের অংশগ্রহণ জি-২০ সম্মেলনে অর্থবহ অবদান রাখতে পারবে।’

চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক সমাধানে জি-২০ অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে উন্মুখ বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, উন্নয়নের অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত কণ্ঠস্বর। তিনি প্রায় ১৭ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি গণতান্ত্রিক রাজনীতির পক্ষে কথা বলেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, জি-২০ প্রেসিডেন্সির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে গ্লোবাল সাউথের সমস্যা নিয়ে আসা। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি মুখপাত্র। বাংলাদেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্লোবাল সাউথের জন্য কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category