নওগাঁর নিয়ামতপুরে আলোচিত একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যার বিষয়ে, নওগাঁর সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নিজে নেতৃত্ব দিয়ে পুলিশের কয়েকটি টিমে বিভক্ত করে দেন এবং এলাকায় চিরনি অভিযান পরিচালনা করে, এই মৃত্যুর ঘটনায় জরিত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা ও হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বুধবার দুপুরে নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নিহতের ভাগ্নে সবুজ রানা, ভগ্নীপতি শহীদুল ইসলাম এবং তার ছেলে শাহিন মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জমিজমা নিয়ে বিরোধ থেকেই তারা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঘটনার দুই দিন আগে থেকেই সবুজ রানা ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি দরজা খুলে দিলে অন্যরা ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে হাবিবুর রহমানকে এবং পরে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়।
গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত হাসুয়া ও ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে সোমবার গভীর রাতে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন—হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী পপি, ছেলে পারভেজ ও মেয়ে সাদিয়া।