বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
  • বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
Share Now

কয়েক মাসের বিরতির পর ওয়ানডেতে ফিরেই বাজিমাত করল বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করার পর ব্যাটিংয়েও রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন টাইগার ব্যাটাররা। বিশেষ করে তানজিদ তামিমের সামনে বল ফেলার জায়গা খুঁজে পাননি শাহিন আফ্রিদিরা! তার অপরাজিত ফিফটিতে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। জবাবে ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই সাইফ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। ৪ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ২৭ রানে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। সাইফ ব্যর্থ হলেও আরেক প্রান্তে রীতিমতো ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা তামিমের কল্যাণে পাওয়া প্লেতেই ৮১ রান তোলে। তামিম ফিফটি করেছেন মাত্র ৩২ বলে। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া ৩৩ বলে ২৭ রান করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

এর আগে বল হাতেও দাপট দেখায় বাংলাদেশ। নতুন বলে মিতব্যয়ী বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। তবে উইকেট এনে দিতে পারেননি এই দুই অভিজ্ঞ পেসারের কেউই। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারেই স্পিন আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নিজে বোলিংয়ে আসেন। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

নিজের পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভস বন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও ফেরান মিরাজ।

দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।

৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ একাই কিছুটা লড়াই করেন। আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পেরিয়ে অলআউট হয় পাকিস্তান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category